কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলার আসামিদের ঘর-বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলার আসামিদের ঘর-বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় ৮ আসামির ঘর-বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে মামলার বাদীসহ এলাকাবাসীর বিরদ্ধে। গত (০২ জুন) উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের গড়ের পাড় গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। লুটপাটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ না নেয়ায় সু-বিচার চেয়ে গত রোববার (১৪ জুন) বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেছে হত্যা মামলার ১ নং আসামী রাকিব ইসলামের মা রাকি বেগম।
জানা গেছে, ওই গ্রামের বাসিন্দা আজাহারুল ইসলামের সাথে তার ভাই আমিন উদ্দিনের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বসতবাড়ীর যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১ জুন আমিনের শ্যালকের ছেলে রেজাউল আলম তার বাড়িতে আসেন। এসময় দুপুর ৩ টার দিকে যাতায়াতের রাস্তা দখল নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সংঘর্ষে রেজাউল করিম গুরুত্বর আহত হয়ে রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে ২ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় আজাহারুল ইসলামের ছেলে রাকিব ইসলামকে প্রধান করে ৮ জনকে নামীয় ও ৫/৬ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে নিহত রেজাউল করিমের ভাই ও মাগুড়া দোলা পাড়া গ্রামের মৃত্যু ওহাব আলীর ছেলে আব্দুল ওয়াদুদ বাদি হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে আসামীগণ গ্রেফতার এড়াতে স্বপরিবারে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। এ সুযোগে বাদি পক্ষের লোকজন ৮ জনের বাড়ি ঘরের মধ্যে রক্ষিত গরু-ছাগল, ধান, চাল, টাকা-পয়সা, মোটর সাইকেল, গ্যাসের চুলা, ওয়াসিং মেশিন, সিলিং ফ্যান, টিভি-ফ্রিজ, স্বর্ণ-অলঙ্কার, সেচ পাম্প, জমির দলিল, শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদসহ সংসারের সমস্ত মুল্যবান সামগ্রী লুটপাট করে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করার পাশাপাশি ঘরের আাসবাবপত্রসহ জানালা-দরজা ভাংচুর করেন।
এর প্রতিকার চেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি রাকিবুল ইসলামের মা রাকি বেগম বাদি হয়ে দেবর আমিন উদ্দিনকে ১ নম্বর আসামি করে ২২ জনের নামে গত ১৪ জুন নীলফামারীর বিজ্ঞ আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আব্দুল কুদ্দুস বলেন, বিষয়টি ওসি স্যার জানেন। কিন্তু তিনি ছুটিতে থাকায় আমি কিছু বলতে পারতেছি না।



আপনার মতামত লিখুন
Array